একদম বাঙালি স্টাইলে "চিকেন দম বিরিয়ানি"।Chicken dum biriyani recipe in bengali|

 

একদম বাঙালি স্টাইলে "চিকেন দম বিরিয়ানি"।Chicken dum biriyani recipe in bengali|


চিকেন দম বিরিয়ানি


একটি ছোট্ট টিপস :-

যানবাহনে বমি থেকে রক্ষা পেতে কয়েকটি ছোট্ট টিপস :-

সূচনা :- ছুটিতে বেশিরভাগই মানুষ নাড়ীর টানে নিজের বাড়িতে যেতে চান। এই জন্য অনেককেই দীর্ঘক্ষণ যানবাহনে কাটাতে হতে পারে। এছাড়াও ঘোরার দীর্ঘ পরিকল্পনা করেছেন বন্ধ বান্ধব বা ভাইবোনদের বা পরিবারের পাল্লায় পড়ে। কিন্তু ছোট্ট একটি সমস্যা যা মাটি করে দিতে পারে সব আনন্দ। দীর্ঘ বা ছোট যেকোনো ভ্রমণেই আপনার শক্র হয়ে দাঁড়াতে পারে এই বমির হত্তয়ার প্রবণতা। আবার অনেকের অনেক কারণে বমি হতে পারে। যেমন - কোন মানুষ ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়লে, আবার বাজে গন্ধ বা বাজে স্বাদের কারণে, অথবা বাজে কিছু জিনিষ খেলে, আরও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার কারণে বমি হতে পারে। অতিরিক্ত পরিশ্রমের বা মোশন সিকনেসের কারণে বমি হতে পারে। তবে মোশন সিকনেস ভ্রমণের একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা।এক ধরনের মস্তিষ্কের সমস্যার কারণে এটা হতে পারে। বিশেষ করে বাস, প্রাইভেটকার বা ধরনের বাহন গুলিতে বমির সমস্যা হতে পারে। অন্তঃকর্ণ আমাদের শরীরের গতি জড়তার ভারসাম্য রক্ষা করে। যখন গাড়িতে চড়ি তখন অন্তঃকর্ণ মস্তিষ্কের খবর পাঠায় যে সে গতিশীল। কিন্তু চোখ বলে ভিন্ন কথা। কারণ তার সামনের বা পাশের মানুষগুলো কিংবা গাড়ির সিটগুলো থাকে স্থির। চোখ আর অন্তঃকর্ণের এই ভারসাম্যহীনতার ফলে তৈরি হয় মোশন সিকনেস। এই কারণে তৈরি হয় বমি বমি ভাব, সেই সঙ্গে হতে পারে মাথা ঘোরা, আবার মাথা ধরা মতো প্রভৃতি সমস্যা।


যানবাহনে বমি থেকে রক্ষা পেতে যা করনীয় :-

প্রথমত জানালার কাছে সিট নিন।জানালাটা খুলে রাখুন। খোলা প্রকৃতির বাতাসে মন প্রাণ থাকবে খুব ভালো।
এই সময় খোলা জানালা দিয়ে লম্বা লম্বা শ্বাস নিতে পারেন।

ভ্রমণের সময় জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকলে এই বমির সমস্যাটি কিছুটা হলেও কম হয়।

যাত্রা শুরুর একটু আগে ভরপেট খাবেন না পান করবেন না।

গাড়িতে আড়াআড়ি বা যেদিকে গাড়ি চলছে সেদিকে পেছন দিয়ে বসবেন না।

সুপারি বা শুধু পান চিবানোতে কিছুটা হলেও উপকার পেতে পারেন।

ভ্রমণে যাদের বেশি সমস্যা হয় তারা গাড়িতে ওঠার আধ ঘন্টা আগে বমির জন্য একটি ভালো ওষুধ খেয়ে নিতে পারেন।আর সঙ্গে নিয়ে নিতে পারেন।

বমির ভাব দূর করতে সবচেয়ে কার্যকরী ভেষজ ওষুধ আদা।আদা কুচি করে কেটে মুখে নিয়ে চিবোতে পারেন। এতে করে আপনার বমি ভাবটি দূর হয়ে যাবে। যারা আদার ঝাঁজ সহ্য করতে পারেন না,তারা একটু গরম জলে আদা সিদ্ধ রসটি মুখে নিয়ে কুলি করলে মুখ থেকে বমির ভাব অনেকটা দূর হবে মুখের দূর্গন্ধ দূর হবে।

যখনই বমির ভাব দেখবেন তখনই মুখে এক টুকরো লবঙ্গ রেখে দিন। ধীরে ধীরে চিবুতে থাকুন দেখবেন আপনার মুখ থেকে বমির ভাব চলে গেছে।

আবার পুদিনাপাতা বমি ভাব দূর করতে দারুন কার্যকর। পুদিনার রস গ্যাস্ট্রিক জনিত বমির ভাব দূর করতে বেশি কার্যকরী।তাই গ্যাস্ট্রিক জনিত বমির ভাবের জন্য পুদিনাপাতা মুখে দিয়ে চিবুতে থাকুন। এতে উপকার পাবেন।

অনেকেই দারুচিনি চিবুতে পচ্ছন্দ করেন। দারুচিনি ভারী খাবারের পরে খেলে হজমে খুব সাহায্য করে।তাই হজমের সমস্যাজনিত কারণে বমি ভাব হলে খেতে পারেন এক টুকরো দারুচিনি।

বমি ভাব দূর করতে খেতে পারেন টক জাতীয় খাবার। লেবুর রসের মধ্যে রয়েছে সাইট্রিক অ্যাসিড যা বমিভাব দূর করতে বেশি কার্যকরী। কিন্তু গ্যাস্ট্রিক জনিত বমির ভাব হলে লেবু না খাওয়াই ভালো। তাছাড়া বমি ভাব হলে লেবু পাতার গন্ধ উপকারে আসতে পারে। কারণ লেবুর পাতার গন্ধ শুকলে বমি বমি ভাব দূর হয় আর বমির জন্য ভালো কাজ করে।



ডিসক্লেইমার :- এটি একটি ঘরোয়া উপায়ে যানবাহনে বমি থেকে রক্ষা পেতে কয়েকটি ছোট্ট টিপস। যদি আপনাদের এটি মনে হয় যে, উপকার পাবেন তাহলে একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন। আর যদি ট্রাই করেন তাহলে উপরের যেকোন একটি উপায় পদ্ধতি ট্রাই করবেন।যার যেটি শরীরের জন্য লাভদায়ক,সেই পদ্ধতিটি বা উপায়টি ব্যবহার করবেন।আর আশা করি এটিতে উপকার পাবেন। আর যদি আপনাদের মনে হয় উপকার পাবেন না অথবা মনের মধ্যে কোন দ্বিধাবোধ হয়, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং ডাক্তারের নিয়ম কথা মতো মেনে চলুন।


যা যা প্রয়োজন অর্থাৎ উপকরণ :-

১. ৫০০ গ্ৰাম ভালো চাল

২. ৫০০ গ্ৰাম চিকেন (৩ টে পিস)

৩. ৫০ গ্ৰাম টকদই

৪. ২ চা -চামচ‌‌‌ গোটা গরমমশলা

৫. ২ চা -চামচ‌‌‌ লঙ্কা গুঁড়ো

৬. ১ চা -চামচ‌‌‌ কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো

৭. ৩ কাপ পেঁয়াজ বেরেস্তা

৮. ১ প্যাকেট বিরিয়ানি মশলা

৯. ১ চা -চামচ‌‌‌ চিনি

১০. ১/২ চা -চামচ‌‌‌ লেবুর রস

১১. ১ কাপ সাদা তেল

১২. ১/২ চা -চামচ‌‌‌ কেশর

১৩. ৫০ গ্ৰাম খোয়া

১৪. ১/২ কাপ দুধ

১৫. ৫ চা -চামচ‌‌‌ গোলাপ জল

১৬. ৫ চা -চামচ‌‌‌ কেওড়া জল

১৭. ১/২ চা -চামচ‌‌‌ বিরিয়ানি ফ্লেভার

১৮. ৩ ফোঁটা মিঠা আতর

১৯. ৩ চা -চামচ‌‌‌ আদা রসুন বাটা

২০. ফোঁটা ইয়োলো ফুড কালার (অপশনাল)

২১. ৩ থেকেটি মাঝারি সাইজের আলু

২২. ১৫০ থেকে ২০০ গ্ৰাম ঘি

২৩. ৩ টি ডিম সেদ্ধ

২৪. ৮ থেকে ১০ টি তেজপাতা

২৫. ৩ টি আটার দলা

২৬. নুন পরিমাণমতো



চিকেন দম বিরিয়ানি


কি ভাবে রান্না করবেন অর্থাৎ প্রনালীঃ -

প্রথম ধাপ :- প্রথমত চালকে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন, তারপর গোলাপ জল, কেওড়া জল,গোটা গরমমশলা, অল্প তেলে,জল দিয়ে চালকে ৭০% থেকে ৮০% সেদ্ধ করে,জল ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর পেঁয়াজ কুচি করে ডুবো তেলে ভেজে ঠাণ্ডা করে বেরেস্তা বানিয়ে নিতে হবে। এবার চিকেন, আদা রসুন বাটা, নুন, লঙ্কা গুঁড়ো, বিরিয়ানি মশলা, গোলাপ জল, কেওড়া জল, টকদই, পেঁয়াজ বেরেস্তা, তেল, কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে ম্যারিনেট করেথেকেঘন্টা রেখে দিতে হবে। এরপর আলু, নুন,ফুড কালার দিয়ে মাখিয়ে ৮০% সেদ্ধ করে ডুবো তেলে অল্প ভেজে নিতে হবে। এবারে কুকারে চিকেন দিয়ে ৭০% সেদ্ধ করে নিতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপ :- এবার দুধে কেশর মিঠা আতর,ফুড কালার, বিরিয়ানি ফ্লেভার দিয়ে মিশিয়ে রেখে দিতে হবে। এরপর পাত্রে ঘি মাখিয়ে তেজপাতা বিছিয়ে চিকেন দিয়ে তারপর বিরিয়ানি মশলা, খোয়া অল্প দিতে হবে। এরপর ৫০% ভাত দিয়ে ওপরে দুধের মিশ্রণ,ঘি, মশলা,গোলাপ জল, কেওড়া জল, খোয়া, লেবুর রস, চিনি, নুন অল্প গ্ৰেভির তেল,আলু, বিরিয়ানি মশলা, ডিম দিয়ে লেয়ারিং করতে হবে। এবার তার ওপরে বাকি ভাত দিয়ে দুধের মিশ্রণ, ঘি, মশলা, গোলাপ জল, কেওড়া জল, খোয়া, লেবুর রস, চিনি, নুন অল্প গ্ৰেভির তেল, পেঁয়াজ বেরেস্তা, বিরিয়ানি মশলা দিয়ে পাত্রের মুখ আটা দিয়ে সিল (বন্ধ) করে ঢাকা দিয়ে দমে দিতে হবে। তারপর মাঝারি আঁচে ১৫ থেকে ২০ মিনিট দমে দিতে হবে।ব্যস ঢাকা খুলে গরম গরম বিরিয়ানি সার্ভিং করতে পারেন সঙ্গে স্যালাড দিয়ে।এই রান্নাটিজন খেতে পারবেন। আর এই রেসিপিটি রান্না করার জন্য সময় লাগতে পারে প্রায়থেকেঘন্টার মতো।
 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.